مَثَلُ الَّذِیۡنَ یُنۡفِقُوۡنَ اَمۡوَالَہُمۡ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ کَمَثَلِ حَبَّۃٍ اَنۡۢبَتَتۡ سَبۡعَ سَنَابِلَ فِیۡ کُلِّ سُنۡۢبُلَۃٍ مِّائَۃُ حَبَّۃٍ ؕ وَاللّٰہُ یُضٰعِفُ لِمَنۡ یَّشَآءُ ؕ وَاللّٰہُ وَاسِعٌ عَلِیۡمٌ
যারা নিজেদের ধন- সম্পদ মহান আল্লাহ্ পাক উনার পথে ব্যয় করে তাদের উপমা একটি শস্যবীজ, যা সাতটি শীষ উৎপাদন করে, প্রত্যেক শীষে একশত শস্যদানা। মহান আল্লাহ্য পাক যাকে ইচ্ছা বহু গুণে বৃদ্ধি করে দেন। আল্লাহ্ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।
ব্যাখ্যাঃ
যারা আল্লাহ্র পথে খরচ করে তাদের উপমা এমন যেমন কেউ গমের একটি দানা উর্বর ভূমিতে বপন করল। ঐ দান হতে একটি চারাগাছ গজাল। যাতে গমের সাতটি শীষ এবং প্রত্যেকটি শীষে একশ করে দানা থাকে। অর্থাৎ একটি দানা হতে সাতশ দানা জন্মিল। তবে স্মরণ রাখা কর্তব্য যে, উক্ত ব্যয় হতে কাঙ্খিত ফল লাভ করতে হলে নিম্নের শর্ত সমূহ পূর্ন করতে হবে। (১) সম্পদ হালাল হতে হবে। (২) যে দান করবে তাঁর উদ্দেশ্য সৎ হতে হবে। (৩) খরচের খাত যোগ্য হতে হবে। (৪) দান করার পর অনুগ্রহ করেছে এমন ধারণা পোষণ করতে পারবে না। এবং (৫) গ্রহীতাকে ঘৃণা করা যাবে না। উল্লেখিত শর্তাবলী পুরণে ব্যর্থ হলে দানের সুফল আশা করা যায় না (মা কু)—আল বাকারা - ২৬১
قُلۡ لِّعِبَادِیَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا یُقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَیُنۡفِقُوۡا مِمَّا رَزَقۡنٰہُمۡ سِرًّا وَّعَلَانِیَۃً مِّنۡ قَبۡلِ اَنۡ یَّاۡتِیَ یَوۡمٌ لَّا بَیۡعٌ فِیۡہِ وَلَا خِلٰلٌ
হে আমার হাবীব মাহবুব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি আমার বান্দাদের মধ্যে যারা মু’মিন তাদেরকে বলে দিন,সালাত কায়েম করতে এবং আমি তাদেরকে জীবিকা হিসেবে যা দিয়েছি তা হতে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করতে-সেই দিনের পূর্বে যেদিন ক্রয়-বিক্রয় ও বন্ধুত্ব থাকবে না।’
(পবিত্র সূরা ইব্রাহীম শরীফ ৩১
وَاٰتٰىکُمۡ مِّنۡ کُلِّ مَا سَاَلۡتُمُوۡہُ ؕ وَاِنۡ تَعُدُّوۡا نِعۡمَتَ اللّٰہِ لَا تُحۡصُوۡہَا ؕ اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَظَلُوۡمٌ کَفَّارٌ
এবং তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন তোমরা তাঁর নিকট যা কিছু চেয়েছ তা হতে। তোমরা মহান আল্লাহ্ পাক উনার অনুগ্রহ গণনা করলে এর সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না!মানুষ অবশ্যই অতিমাত্রায় জালিম, অকৃতজ্ঞ, নাউজুবিল্লাহ
(পবিত্র সূরা ইব্রাহীম শরীফ- ৩৪)