অনুপম চরিত্র মুবারক-ই জামানার লক্ষস্হল ওলীআল্লাহ ও মুজাদ্দিদে আ'যম হওয়ার বড় প্রমাণ, সুবহানাল্লাহ!-২
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত ওলীদের তিনটি বিশেষ ছিফত মুবারক ১.যাদেরকে দেখলে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব মাহবুব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কথা স্বরন হয় ।
২. যার আমল দেখলে আমল করার ইচ্ছা হয়
৩. যার কথা শুনলে দ্বীনি ইলম বৃদ্ধি পায় তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, সুবহানাল্লাহ।
উল্লিখিত হাদীছ শরীফে বর্ণিত প্রতিটি ছিফত মুবারক উনার উজ্জ্বল আলোক বর্তিকা হলেন মহান মুজাদ্দিদ আ'যম আলাইহিস সালাম তিনি, সুবহানাল্লাহ!
আপনি উল্লেখিত হাদীস শরীফ উনার মিছদাক দেশের আরো দু-এক জনের নাম উল্লেখ করে যান যিনি এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার পূর্ণ মেছদাক্ব,আমি সেখানে যাবো,দেখবো প্রশান্তি নিবো ইনশাআল্লাহ। পূর্ণাঙ্গ দেখাতে পারবেন না তা নিশ্চিই আপনি আমি খুব ভালো করে বুঝতে পারছি, আলহামদুলিল্লাহ ।
উপরোল্লেখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ খানার প্রতি আপনি একটু গভীর ফিকির করুন, প্রয়োজনে মুরাকাবা করুন
দেখেন,হিসাব খসেন, উপলব্ধি করেন কি বুঝা যায়!?
আপনি আমি যখন দেশের অধিকাংশ পীর, মাওলানা, মুফতি,ওলী দাবিদারদেরকে দেখি তখন কি মনে পরে ? আল্লাহ পাক উনার হাবীব উনাদের কথা কি মনে পরে? পরে না।
, অধিকাংশ পীরদের দেখে কখনো আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব মাহবুব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কথা স্বরন হয় না। বরং তাদের দেখলে মনে পড়ে দুনিয়ার কথা, ভোয়া খিলাফত নিয়ে ভোয়া পীর সাজার কথা, গনতন্ত্রী মৌলভী-পীরদের দেখলে মনে পরে কিভাবে নেতা হওয়া যায়, মনে পরে গনতন্ত্রের প্রবক্তা আব্রাহামের কথা ! লংমার্চ এর প্রতিষ্ঠাতা মাওসেতুং এর কথা ! হরতালের প্রবক্তা মহনদাসের কথা! নাউজুবিল্লাহ!
তাদের মাদ্রাসার পড়লে স্বরন হয় কথিত জাতীয় সংগীত এর লেখক ঠাকুর- ঠগের কথা! তাদের পোশাক- আশাক দেখলে মনে হয় ইংরেজ বেনীয়াদের কথা, তাদের চাকুরী -ডিগ্রী দেখলে মনে হয় কিভাবে কাঠ্রা কাফেরদের গোলাম বনা যায়! এমনকি তাদের কতেককে দেখলে দাঁড়ি গোঁফ কাটিং করে অতি আধুনিক হতে ইচ্ছে হয়, নাউজুবিল্লাহ!
অর্থাৎ যেখানে যুগের অধিকাংশ পীর মাওলানাদের দেখলে অন্তরে দুনিয়ার জশ খ্যাতি,চাক- চখ্য,লোভ
-লালসা, হারামের প্রতি আকর্ষণ সহ সমস্ত গাইরুল্লাহর সাগরে নাকানিচোবানি খাওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকে না।
সেই সময়,সেই মুহূর্তে জামানার ইমাম ও মুজতাহীদ সাইয়্যেদুনা মুজাদ্দিদে আ'যম আওলাদে রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম,হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে দেখলে একটি সাধারণ মানুষ তার দুনিয়াদারীর কথা ভুলে যায়, সুবহানাল্লাহ। এমনকি একজন সাধারণ মুসলমান সুমহান দরবার শরীফ প্রবেশ করে মামদুহজী উনাকে দেখার পর তার রক্তে মেশানো মোবাইল,পরিবার, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সমস্ত দুনিয়াদারীর কথা এমন ভাবে ভুলে যান যেন সে নতুন কোন গ্রহে অবস্থান করছেন, সুবহানাল্লাহ।
উনাকে দেখলে সত্যি সত্যিই মহান খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কথা উনাদের মহব্বত, অনুসরণ, অনুকরণের মধ্যেমে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি-রেজামন্দি হাছিল করার জন্য মন হয়ে যায় এক চাতক পাখি। সুবহানাল্লাহ।
কেন ? এটার প্রমাণ কি আপনি/ আমি নিজে না? এটাও কি অস্বীকার করা যাবে? যাবে না। কারণ তিনি সত্যিই মহান আল্লাহ পাক উনার একজন লক্ষস্হল ওলী- আল্লাহ, নূরে মুজাসসাম হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আখ্খাছ্ছুল খাছ আওলাদ, সুবহানাল্লাহ ।যার ছোহবত মুবারকে লোহা-স্বর্ণ হয়,মুর্দা ক্বালব জিন্দা হয়,বিদয়াতী সুন্নতী হয়, মূর্খরাও জ্ঞানী হয়, তিনি তো নিঃসন্দেহে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি প্রাপ্ত ও মনোনিত মহান মুজাদ্দিদে আ'যম সুলতানুন নাছির আলাইহিস সালাম, সুবহানাল্লাহ ! চলবে ---
হানাফী --
৫/৩/১৪৪৭ হিজরী